Previous
Next

Ashuganj Tap Bidyut Kendra High School

Ex. Students Association

আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় এক্স স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন এলামনাই এসোসিয়েশন এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সমূহ :

মোঃ মাহমুদুল হোসাইন খান

সচিব
সমন্বয় ও সংস্কার
মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ

সভাপতি, এটেক্সা

এটেক্সা সভাপতি বানী 

“সুবর্ণ স্মৃতির মধুর আনন্দে, এসো মিলি মোরা সৃজনী ছন্দে”

প্রাণের বিদ্যাপীঠ আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জেনে আমি আবেগাপ্লুত, উদ্বেলিত, শিহরিত। বিগত পঞ্চাশ বছরে এ বিদ্যালয় হতে হাতে খড়ি নিয়ে অনেকে আজ দেশে-বিদেশে সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁদের পদচারণায় মুখরিত হবে বিদ্যালয় আঙ্গিনা, হাজারো প্রাণের কলকাকলিতে মুখরিত হবে এ প্রাঙ্গণ, আকাশে-বাতাসে প্রতিধ্বনিত হবে গুঞ্জন, অনেক পরিচিত মুখকে ৫০ বছর পর নতুন করে দেখতে পারো, প্রিয় বন্ধুদের কাছে পেয়ে মনের জমানো কথাগুলো যেন উত্তরে উঠবে- এ এক অব্যক্ত অনুভূতি। কবি নজরুলের ভাষায় বলতে হয়-

“আজকে আমার রুক্ষ প্রাণের পরলে

বাণ ডেকে ঐ জাগল জোয়ার, দুয়ার ভাঙ্গা কল্লোলে”

স্মৃতিময় এ দিনে আমি বিশেষভাবে স্মরণ করি বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক জনাব মো: আব্দুল কাদির স্যারকে। স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে সদ্য প্রসুত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি তৈরী করানোর মত গুরু দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে তাঁরা কণ্টক। পথচলা কখনোই বিস্তৃত হবার নয়। তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, নিরলস শ্রম ও ত্যাগের কারণে অনেক প্রতিকূলতার মাঝেও আমরা ক’জন ১৯৮২ সালে এ বিদ্যালয় হতে প্রথম এস. এস. সি. পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হই। তিনি আজ বেঁচে থাকলে কতইনা খুশী হতেন। তাঁর অন্যতম সহযোদ্ধা ছিলেন জনাব মধুসূদন দত্ত স্যার। এ মিলনমেলা ক্ষণিকের হলেও এর ব্যাপ্তি অনেক। এর মাধ্যমে সকলের মাঝে তৈরি হবে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধন, যে বন্ধন।

হবে আত্মিক ও দীর্ঘস্থা

বিদ্যালয়ের যে সমস্ত শ্রদ্ধেয় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ এ ধরা থেকে চিরতরে বিদায় নিয়েছেন তাঁদের আত্মার শান্তি কামনা করছি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আতগত তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ATEXSA একটি অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনরুপে ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিবাদের সহায়তায় করোনা মহামারীতে মানুষকে মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতন করা, দরিদ্র মানুষের জীবন-মৃত্যুর ক্রান্তিলগ্নে অক্সিজেন সিলিন্ডার পৌঁছে দেয়া, কর্মহীন মানুষকে খানা সহায়তা, রোজার সময় দরিদ্রদের ইফতার ও সাহরীর ব্যবস্থা করা, কোরবানীর মাংস বিতরণ, আশ্রয় বিদ্যাপীঠকে সাথে নিয়ে পথশিশুদের বিনামূল্যে পাঠ। উপকরণ সরবরাহ ও পাঠদান ATEXSA এর উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের অংশ। এটিকে বাঁচিয়ে রাখলে এলাকার অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠী উপকৃত হবে। ATEXSA বেঁচে থাকুক মানুষের মননে, হৃদয়ে ও ভালোবাসায়।

এপিএসসিএল-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনায় বিদ্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এ জন্য শ্রদ্ধাভাজন ব্যবস্থাপনা

পরিচালক ও তাঁর সহকর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা।

পরিশেষে, সবার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সফল ও স্বার্থবহ হবে বলে আমি মনে করি।


Play


Play


Play


Play


Play


Play


Play


Play


Play


Play

Previous
Next

Notice Board

আমাদের ফেসবুক গ্রুপে যুক্ত হতে ডানে দেওয়া QR CODE – টি স্ক্যান করুন অথবা ক্লিক করুন!